খালি পেটে পানি পান!

খালি পেটে পানি পান!

জাপানে ঘুম থেকে উঠেই পানি পানের বিষয়টি খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তাছাড়াও এর বৈজ্ঞানিক গবেষণায়ও এর গুরুত্ব প্রমানিত হয়েছে। নিচে পানির সঠিক ব্যবহার নিয়ে আমাদের পাঠকদের জন
্য বিস্তারিত আলোচনা প্রকাশ করলাম। নিম্মোক্ত রোগ সমূহে জল চিকিৎসা নামে একটি পদ্ধতি চিকিৎসা জাপনী মেডিকেল সোটাইটি খুঁজে বের করেছে যা ১০০% সুস্থতা প্রদানে সক্ষম বলে তারা দাবি করেন।

রোগ বা অসুখ সমূহ হলো- মাথা ব্যথা, শরীর ব্যথা, হৃদরোগ, বাত, দ্রুত হৃদ স্পন্দন, ইপিলেপসি, অতিরিক্ত মেদ, ফুসফুসের প্রদাহ, হাঁপানি, যক্ষা, মেনিনজাইটিস, কিডনি এবং মুত্র রোগ, বমি, বুক জ্বালাপোড়া, পাতলা পায়খানা, পাইলস, ডায়াবেটিস, কোষ্ঠকাঠিন্য, সব ধরণের চোখের অসুখ, নাক-কান-গলার অসুখ।

চিকিৎসা পদ্ধতি:
১. ঘুম থেকে উঠেই ১৬০ মিলি লিটারের গ্লাসের ৪ গ্লাস পানি পান করবেন।

২. পানি পানের ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোন খাবার খাবেন না।

৩. ৪৫ মিনিট পর নাস্তা করবেন এবং পানি পান করবেন।

৪. নাস্তা করার ১৫ মিনিট পর, দুপুরের এবং রাতের খাবারের ২ ঘন্টার ভিতরে কোন খাবার বা পানি পান করবেন না।

৫. যারা বয়ষ্ক বা অসুস্থ এবং ৪ গ্লাস পানি পান করতে অক্ষম প্রথম দিকে অল্প অল্প করে পানি পানের অভ্যাস করে ধীরে ধীরে পরিমান বাড়াতে চেষ্টা করবেন।

৬. উপরের চিকিৎসা পদ্ধতিটি উল্লেখিত রোগ বা অসুখ সমূহের নিরাময় করবে এবং যাদের তা নেই তারও সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবে।

কতদিন এই চিকিৎসা চলবে তা রোগ বা অসুখ ভেদে উল্লেখ করা হলো:

১. উচ্চ রক্তচাপ (৩০ দিন)
২. বুক জ্বালাপোড়া (১০ দিন)
৩. ডায়াবেটিস (৩০ দিন)
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য (১০ দিন)
৫. ক্যান্সার (১৮০ দিন)
৬. যক্ষা (৯০ দিন)
৭. বাত ব্যথার রোগিরা উপরে চিকিৎসাটি প্রথম সপ্তাহে ৩ দিন, এবং দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন চালিয়ে যাবেন।

এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তবে প্রস্রাবের পরিমান পূর্বের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে। এটি দৈনন্দিন জীবনের সাথে যোগ করলে অন্যান্য রোগ থেকেও সুস্থ থাকা যাবে। পানি পান করুন এবং সুস্থ ও কর্মঠ থাকুন।

লক্ষণীয় বিষয়- চীনা ও জাপানীরা তাদের খাবার সময় গরম চা খেয়ে থাকেন ঠান্ডা পানি না। হয়তো এখন সময় এসেছে খাওয়ার সময় তাদের এই প্রচলিত বিষয়টিতে আমাদের অভ্যস্থ হওয়ার। কোন ক্ষতির ভয় নেই, বরং উপকারই হবে।

যারা ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এই পোষ্টটি কাজে আসতে পারে। ঠান্ডা পানি একটু আগে খাওয়া আপনার খাবারের সাথে মিশে থাকা তৈলাক্ত উপাদানগুলোকে কঠিন করে দিয়ে হজমে অসুবিধা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন এভাবে চললে তা ক্যান্সার সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করে। তাই খাবার পর সবচেয়ে ভাল হয় উষ্ণ পানি পান করা।

বি: দ্র: চিকিৎসা পদ্ধতিটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত কিনা তা নিশ্চিত নয়। উল্লেখিত রোগ বা অসুখ সমূহে তা কতটুক কাজ করে তাও পরীক্ষিত নয়। তবে নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি বলেই শেয়ার করা হলো। ধন্যবাদ।


Comments